Archive for ‘প্রতিবেদন’

জুলাই 30, 2018

পারভেজ নিজেই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন!

কুমিল্লার আওয়ামী লীগ নেতা ও তিতাস উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পারভেজ সরকার (৪০)কে গত শুক্রবার অপহরণ করা হয়েছিল এবং প্রায় ৮ ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয় এই মর্মে প্রায় সকল গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে মিডিয়ায় এ সংবাদ প্রচার ও সিসিটিভি ফুটেজ লিক হওয়া নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলেও পরবর্তি ঘটনাক্রম বিশ্লেষণে পারভেজ নিজেই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আর এই নাটকের উদ্দেশ্য ছিল আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নিজের প্রার্থীতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করা।

ঘটনার দিন পারিবারিক সূত্রে বলা হয় শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ পড়ে ফেরার পথে তাকে অপহরণ করা হয়েছিল। বাসার নিরাপত্তারক্ষী ওমর আলীর মতে, পারভেজ সরকার বাসায় ফেরার সময় বাসার সামনেই এক ব্যক্তি তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে আসে। তাকে ধস্তাধস্তি করে গাড়ীতে তোলা হয়। কিন্তু পারভেজ হোসেন বলেন, আমার সাথে সালাম দিয়ে কথা বলার কৌশলে এবং পেছন থেকে একজন ধাক্কা দিয়ে গাড়িতে তুলে দেয়। আমার চোখে কালো কাপড় বেঁধে এবং মুখেও একটা কাপড় দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। অজ্ঞান করা হলে এত দ্রুত জ্ঞান ফিরতো কিনা সেই প্রশ্ন ওঠাও স্বাভাবিক।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় (সময় ১১:২০ ঘটিকায়) তাকে টেনে পাশে নিয়ে গাড়িতে তোলা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞান করে গাড়িতে তোলা হয়েছে নাকি গাড়িতে তোলার পর অজ্ঞান করা হয়েছে এ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। তিন জন প্রত্যক্ষদর্শি থেকে বিবরণ জানা যায়। কথিত অপহরণকারীদের দুজন বাইরে ও দুজন গাড়ির ভেতর ছিল। সিসিটিভিতে কয়েকজনকে দৌঁড়ে আসতেও দেখা যায়। বিনা বাধায় কিভাবে অপহরণ করা সম্ভব হয়েছে উত্তর মেলেনি সেটিরও।

পারভেজের মামা কামরুল হোসেন দাবি করেন, তিনি সব সময় চার থেকে পাঁচজন লোক সঙ্গে নিয়ে চলাফেরা করতেন। আজ শুক্রবার মসজিদে একাই গিয়েছিলেন। আবার অপহরণের পর পারভেজের স্ত্রী তাহমিনা পারভেজ বলেছিলেন, কয়েকদিন থেকে গাড়ি ছাড়া ছেলেদের নিয়ে বাইরে না যেতে ও একা ঘোরাফেরা না করতে বলেছিলেন। তাই সেদিন কেন এর ব্যত্যয় ঘটেছিল তার সদুত্তর পাওয়া যায় নি।

আরও রহস্য সৃষ্টি হয়েছে গাড়ির নম্বর প্লেট নিয়ে। ‘ঢাকা মেট্রো ঘ ১৪-২৫৭৭’ নম্বর গাড়িটির নম্বরপ্লেট সিসিটিভিতে আসতে পারে এমন চিন্তা অপহরণকারীদের আসবে কিনা এ প্রশ্ন করছেন অনেকে। যেহেতু উক্ত নম্বরটি ভুয়া বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে তখন এত দ্রুত নম্বর জানার বিষয়টিও রহস্যজনক মনে হচ্ছে। সবার হাতে ওয়াকিটকি ও পিস্তল ছিল, আবার বলা হয়েছে একজনের বড় চুল ছিল।

এছাড়া শুধুমাত্র দুটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ছেড়ে দিবে কেন বা সেই স্ট্যাম্পই বা কি দরকারে আসবে সঠিক কার্যকারণ জানা যাচ্ছে না।

ঘটনা সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে পারভেজ কেউ জড়িত নন বলে জানিয়েছিলেন। পরবর্তিতে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে উল্লেখ করে কয়েকজন সন্দেহভাজনের নাম প্রকাশ করেছেন। তবে মোটের উপর পরিকল্পিতভাবে হলেই ঘটনার প্রতিটি ক্রমধারার সমাধান মেলে।

পারভেজ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে টার্গেট করার সুবাদে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সন্দেহভাজনদের একজন অভিযোগ করেন, পারভেজের পিতা বেলায়েত হোসেন সরকার তিতাস উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। পারভেজের রাজনীতির হাতেখড়ি ঘটে ঢাকা কলেজের ৯২-৯৩ সেশনের ভিপি-জিএস হারুন ও জাভেদের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ক্যাডার হিসেবে। পারভেজের ভাই মাসুদ তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের ডান হাত হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে চিয়ার্স রেস্টুরেন্টসহ বেশ কয়েকটি জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে।

পারভেজ ২০০৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিতাস উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তিতে আওয়ামী লীগে যোগদান করে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হন। আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অপহরণ নাটকের মাধ্যমে আলোচনায় আসাই তার উদ্দেশ্য ছিল।

জানা গেছে, কুমিল্লা ২ আসনে অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ, নারী উদ্যোক্তা মেরি, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী ও তিতাসের মেয়রসহ হেভিওয়েট প্রার্থীর কারণে পারভেজ সরকারের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অন্যদিকে এমকে আনোয়ারের অসুস্থতার কারণে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন সরকার ছাড়া শক্তিশালী কোনো প্রার্থী নেই। সম্প্রতি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ড. খন্দকার মোশাররফের সাথে বহুবছরের রাজনৈতিক সখ্য ও তাঁর ছেলে ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়ার পারভেজকে আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুধুমাত্র আলোচনায় এসে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্যই অপহরণের নাটক রচনা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে কথিত অপহরণে ব‍্যবহৃত গাড়িটি সনাক্ত করা গেলে রহস্য উন্মোচন সহজ হবে।

জুলাই 5, 2018

কোটার নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির নেপথ্যে তারেক: অপকর্মে অভিযুক্ত ছাত্রীদের ব্যবহারের কথা স্বীকার

নিজস্ব প্রদিবেদক‍‍ || অপরাধ কণ্ঠ: কোটা আন্দোলনের নামে বিএনপির বিএনপির অর্থায়ন ও নৈরাজ্য সৃষ্টিতে সমঝাতা এবং জনবিচ্ছিন্ন কয়েকজন ব্যক্তিত্বের সাথে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক রাশেদ ও ফারুক। জিজ্ঞাসাবাদে আন্দোলনের জন্য নারীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে ব্যবহার করার কথাও স্বীকার করেছে রাশেদ। নারীরা নারী কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে না বলে কৌশল হিসেবে আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে অভিযুক্ত নারীদের টার্গেট করা হয়েছিল বলেও জানা যায়।

কোটা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত কয়েকজনকে আটক করার পর জিজ্ঞাসাবাদে রাশেদ ও ফারুক আন্দোলনের নেপথ্যে ভয়াবহ পরিকল্পনার কথা জানায়। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাশেদের নিয়ন্ত্রণাধীন ২০টি বিকাশ ও রকেটে কত টাকা লেনদেন হয়েছে তা জানতে কর্তৃপক্ষকে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। এছাড়া নুরু ১৫টি বিকাশ ও রকেট একাউন্টের দায়িত্বে রয়েছে। দুটি একাউন্ট থেকে সংগৃহীত ২৭ লাখ টাকা নুরুকে দেয়ার পর হিসাব দেয়া হয় নি বলে মন্তব্য করেছিল মশিউর। কতটি ব্যাংকে টাকা এসেছে তা এখনো তদন্তাধীন।

অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান রাশেদ-নুরুদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন সকলের কাছেই দৃশ্যমান ছিল। সাধারণ মানের স্মার্টফোন থেকে আইফোন ব্যবহার, দামী স্মার্ট টিভি, ট্যাব ক্রয়, বাবার কাছ থেকে টাকা আনার কথা বললেও স্ত্রীসহ মাসিক ২৫ হাজার টাকা ভাড়ার একটি বাড়িতে বসবাস শুরু করে। সুহেলের মত আতাউল্লাহ, তারেক, হাবিবুল্লাহ, সোহরাব প্রমুখ টিউশনি করে চলার দাবি করলেও সম্প্রতি বিলাসবহুল জীবনযাপন শুরু করেছিল। আর এ অর্থলিস্পায় তারা জড়িয়ে যায় বিএনপি জামায়াতের রাজনৈতিক জালে।

রিমান্ডে থাকা কোটাবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রাশেদ খান জানান, কোটা আন্দোলনের নামে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা ধর্মঘট ও অবরোধ শুরু করলে সারাদেশে বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মীরা জড়ো হবে। কোটা যেহেতু জটিল একটি বিষয় তাই বিভিন্ন বাহানায় আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী করা হবে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সরকার পতনের ডাক দেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। এই পরিকল্পনা সফল করতে প্রথমে সিদ্দিকের মত কয়েকজন সংগঠককে আন্দোলন থেকে সরিয়ে দেয়া হয় এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে ছাত্রীদের যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।

যেহেতু ভদ্র পরিবারের ছাত্রীদেরকে তাদের পরিবার সহিংস কর্মসূচিতে যেতে দিবে না এবং মার্জিত কোনো শিক্ষিত নারী নিজেদের কোটার বিরুদ্ধে বলবে না, সে কারণে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ও অভিযুক্ত ছাত্রীদের সক্রিয় করাকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে গ্রহণ করা হয়। সংগঠক হিসেবে যুক্ত করা হয় বিলাসবহুল জীবনযাপনে সবকিছু করতে পারবে এমন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রী সংস্থা, উগ্র নারীবাদী, মাদকাসক্ত ও পতিতাবৃত্তিতে জড়িত ছাত্রীদের। এছাড়া নারীদের দ্বারা মিথ্যা অভিযোগকেও মানুষ সত্য হিসেবে মেনে নিতে অভ্যস্ত। এর বাস্তব প্রমাণও দেখা গেছে। ফারুককে প্রহার করার সময় সে মরিয়ম মান্নানের স্তন চেপে ধরে রেখেছিল এবং ছাত্রলীগের ছাত্ররা তাকে ছাড়িয়ে নিচ্ছিল। উক্ত ঘটনার কোনো ভিডিওতে ছাত্রলীগের কাউকেই কোনো ছাত্রীকে ইচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করার প্রমাণ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে মরিয়মের ঘটনাকে প্রচার করা হচ্ছে আরেক সংগঠক খাদিজা ইভের লিখিত কবিতা দিয়ে যেখানে তার স্তনে সাত জন পুরুষ হাত দেয়ার কারণে সে তাদের আশীর্বাদ করছে।

জানা গেছে, কোটা আন্দোলনে জড়িত বেশিরভাগই ছাত্রী সংস্থার সাথে জড়িত। তবে ধর্ষকের মানবাধিকার চেয়ে আলোচিত লিজার মত বিএনপি কর্মী ও উম্মে হাবিবার মত নেত্রীও ছিল। তবে সংগঠকদের প্রায় সকলেই বিভিন্ন অপকর্মের কারণে অভিযুক্ত, বিশেষত ইডেন কলেজ ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী লুৎফুন্নাহার লীমা, সাংবাদিক পরিচয় দানকারী মৌসুমী এবং সাবেক ছাত্রলীগ ও বর্তমান ছাত্র ফেডারেশন নেত্রী উম্মে হাবিবার বিরুদ্ধে পতিতাবৃত্তিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

কোটা আন্দোলনকে সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে শুরু করার নীল নক্সার সাথে যুক্ত ছিল ছাত্রী সংস্থার নেত্রী লুৎফুন্নাহার লীমা, মৌসুমী নামের এক কলগার্ল এবং বাম নেত্রী বেনজির। পরবর্তিতে যুক্ত হয় রাশেদ এবং আল মামুন রাসেল। কিন্তু মামুনের শিবির করার তথ্য প্রকাশ হয়ে গেলে সম্পৃক্ত করা হয় সাবেক ছাত্রদল নেতা টুকুর ঘনিষ্ট লোক হিসেবে পরিচিত নুরুকে। নুরু ছাত্রলীগে যুক্ত হয়েছিল টুকুর নির্দেশে। অন্যদিকে মামুন রাসেল বিতর্ককে সামাল দেয়ার জন্য এ আন্দোলনে আহবায়ক করা হয় ক্লিন ইমেজের হাসান আল মামুনকে। তবে সরকারের দালাল হিসেবে উল্লেখ করে তাকে কোনঠাসা করে রাখা হয়েছিল। তাই নীতি নির্ধারণী গ্রুপে মামুনকে রাখা হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাখা হয় ফারুক, মাহফুজ, আতাউল্লাহ, তারেক ও জসিমকে।

কোটা আন্দোলন সম্পর্কে রাশেদ ও ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদে ও অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে অবাক হওয়ার মত চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, আন্দোলনে অন্যতম ভূমিকা পালনকারী দরিদ্র পরিবারের সন্তান লীমা শিক্ষক পিতার মৃত্যুর পর আর্থিক সহায়তার পেতে ছাত্রী সংস্থায় যুক্ত হন। কিন্তু বিলাসী জীবনের জন্য পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়েন। তাকে এ অভিযোগে ইডেন কলেজ কর্তৃপক্ষ শোকজও করেছিল। সিদরাতুল মুনতাহা কাশফি, পারভিন হানা, ফাতিমা তাহসিন, মৌমিতা আলো ও নিশাদ সুলতানা সাকি সহ প্রায় দশ জন ছাত্রী বিলাসবহুল জীবনের লোভে লীমার মাধ্যমে দেহ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোটা আন্দোলনের নামে অনুদান সংগ্রহে পাঠানো হতো নারী সংগঠকদের। ছদ্মনামে ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মনোরঞ্জন করা ছাড়াও ফেসবুকে কয়েকটি ফেক আইডি দিয়ে খাটি চটি, বিডি পর্নো, এসো আলোর পথে, কবিতার প্রহর, কে খাবি লাল জাম্বুরা এবং কোটা সংস্কারের পেজসহ কয়েকটি পেইজ ও গ্রুপ পরিচালনা করে। এগুলো ব্যবহার হয়েছে কোটা বিরোধী আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে। এমন কি কোটা আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণ ঘোষণার পরও বিএনপি জামায়াতের ভুয়া পোর্টাল ও ফেসবুক পেজগুলোতে উস্কানিমূলক প্রচারণা চলছে। এর আগেও তাদের সকল কর্মকাণ্ডের সংবাদ বিএনপি জামাতের প্রচার মাধ্যমগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রচার হতো। এমন কি রাশেদের রিমান্ড মঞ্জুরের পর আন্দোলন নিউজ নামে জঙ্গি প্লাটফরমটিতে লাইভ বক্তব্য দিয়ে সারাদেশ অচল করে দেয়ার আহবান জানায় লীমা।

আন্দোলনকারীদের সাথে বিএনপি-জামাতের সম্পর্ক স্থাপনে বিশেষ ভূমিকা রাখে মৌসুমী মৌ নামে কলগার্ল সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত এক ছাত্রী। মৌসুমীর বাবা যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কর্মচারি হওয়ার সূত্রে তার সাথে বিএনপির সম্পর্ক স্থাপন হয়। বিভিন্ন নেতাদের কাছে নারী সরবরাহ করা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। একই ধরণের অভিযোগ রয়েছে ছাত্র ফেডারেশনের উম্মে হাবিবা বেনজিরের বিরুদ্ধে। ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় যে কয়েকজনকে ইয়াবা সম্রাজ্ঞী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তাতে মৌসুমী ও বেনজিরের নাম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে মাদক বিরোধী অভিযান বন্ধের সাথেও এর সম্পর্ক রয়েছে।

উম্মে হাবিবা বেনজির বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিলেন। সে সময় “ম” অদ্যাক্ষরের তৎকালীন ছাত্রলীগের এক সহ সম্পাদকের সাথে তার পরিণয় ছিল। সম্পর্কের ছয় মাস উক্ত নেতা গণোরিয়া রোগে আক্রান্ত হলে তার পরিবার চরিত্রহীন ও বহুগামী বলে ভর্ৎসনা করে তার মাসিক খরচ দেয়া বন্ধ করে দেয়। এই অভিযোগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুলের কাছে গেলে বহু দেনদরবার হয়। পরবর্তিতে বারডেমের চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ ডা: রেজার তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা করে জানা যায় গণোরিয়া সংক্রমিত হয়েছে বেনজিরের কাছ থেকে। বেনজিরের সাথে সম্পর্ক রাখবে না এই মর্মে প্রতিশ্রুতি দিলে নাজমুল সাবেক ছাত্রলীগের এক সভাপতির কাছ থেকে তার চিকিৎসা খরচ জোগাড় করে দেয় এবং পরিবারের সাথে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। এ ঘটনার বেনজির ছাত্র ফেডারেশনের সাথে যুক্ত হয়। কোটা আন্দোলনের মূল ভাগে বেনজিরের সাথে লীমা ও রাশেদদের যোগাযোগ স্থাপিত হয় মৌসুমীর মাধ্যমে।

লীমা, মৌসুমী ও বেনজিরের মত কোটা আন্দোলনের সংগঠক হিসেবে যুক্ত প্রায় সকল ছাত্রীর বিরুদ্ধেই দেহ ব্যবসা ও ছাত্রী সংস্থার যৌনজেহাদী শাখায় যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

যৌক্তিক আন্দোলন বলে দাবি করে কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে কয়েকজন সংগঠকের বিরুদ্ধে শিবির সম্পৃক্ততা ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ থাকলেও সরকার একে নেতিবাচকভাবে বিবেচনা করে নি। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলনকারী তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিলেও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু অতি সম্প্রতি আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন দিকে যাচ্ছে বলে পরিলক্ষিত হলে প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। বিশেষত কর্মসূচি ঘোষণা করে রাশেদ যে উগ্র বক্তব্য দিয়েছিল তাদের সব মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

কোটা যেহেতু সারা বিশ্বে প্রচলিত একটি বিষয় তাই এর সংস্কারে বিভিন্ন পক্ষের মতামত পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যা চাইলেই দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে না। কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের দাবি করে হঠাৎ উগ্র ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেয়া, কোটা আন্দোলনকারীদের পরিচালিত ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপে সরকার বিরোধী পোস্ট দেয়ার অভিযোগ প্রথম থেকেই থাকলেও গ্রুপ পরিচালকদের দ্বারা সরাসরি সরকার বিরোধী প্রচারণা শুরু, ছাত্রলীগকে অশালীন ভাষায় গালাগালি ও হুমকি, মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবীদের বিরুদ্ধে কটূক্তি এবং বিএনপি-জামাতপন্থী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের পক্ষে প্রচারণা চালাতে শুরু করলে বিভিন্ন মহল থেকে আপত্তি উঠতে থাকে। এ অবস্থায় সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠে নামায় আন্দোলনের নেপথ্যের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়। গোয়েন্দা সূত্রের কাছে খবর আসে যে, লন্ডনে পলাতক বিএনিপ চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার পরিকল্পনায় নতুন করে কোটা আন্দোলনের শুরু হয়েছে। আর কোটা আন্দোলনকারীদের ব্যবহার করে বড় পরিসরে আন্দোলনের পাঁয়তারা করছে বিএনপি। বিষয়টি নজরে আসার পরই সরকার এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার সহনশীল ভাবেই নিয়েছে। কোটা সংস্কারের বিষয়ে সরকারের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে। কোটা সংস্কারের জন্য কমিটিও হয়েছে। সংসদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নিয়ে অপর একটি কমিটিও গঠিত হয়েছে। কোটা সংস্কার নিয়ে প্রশাসন যখন আগাচ্ছে তখন আবার কেন আন্দোলন? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হঠাৎ করেই আবার কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের লক্ষ্যই ছিল নির্বাচনের আগে বড় আন্দোলনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা। তারা এটাও স্বীকার করেন যে অনেকে এখনো গুজবের শিকার হয়ে সংগঠকদের সুদৃষ্টিতে দেখছে যা তাদের বিপথে পরিচালিত করতে পারে।

মার্চ 19, 2018

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীর যৌতুক ও হত্যা চেষ্টার মামলা

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির ও রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার মামলা হয়েছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী রাশেদা বেগম ইতিপূর্বে রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

জানা গেছে এর আগে আতাউরের বিরুদ্ধে হওয়া একটি মামলা আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছিল।আদালতে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাহবুবুর রহমান গত ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আসামি আতাউর রহমানকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করলেও সে পালিয়ে যায় ।

আতাউর রহমান বর্তমানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য হিসেবে আছেন।

আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বাবু বলেন, মামলায় আসামি আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে। আতাউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী রাশেদা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। এই মামলা তুলতে রাশেদাকে হুমকি দেয়ার পর এবার হত্যার চেষ্টা করে।

আতাউরের দ্বিতীয় স্ত্রী রাশেদা অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল আতাউর রহমানের সঙ্গে দুই লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তাদের বিয়ে হয়। পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তিনি গোপন অবস্থা থেকে প্রকাশ্যে আসেন। এ সময় তাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন আতাউর। পরে কাবিননামা নিয়ে বিভিন্নস্থানে দেন-দরবারও করেন। কিন্তু উল্টো তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। একপর্যায়ে তার সঙ্গে ঘর-সংসার করতে হলে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দিতে হবে বলে দাবি করেন আতাউর। কিন্তু তা দিতে না পারায় তাকে স্বীকৃতি দেননি। সর্বশেষ গত ২ জুন ভাইদেরকে নিয়ে রাশেদা বেগম তার স্বামীর বাড়িতে যান। কিন্তু এরপরও জামায়ত নেতা আতাউর প্রভাব দেখিয়ে তাকে ঘরে তুলে নেননি। উল্টো পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক না দিয়ে স্ত্রীর অধিকার চাইলে তার ক্ষতি হবে বলে ভয় দেখান। এর প্রেক্ষিতে তিনি মামলা করেছিলেন।  এবার দলবল নিয়ে তার উপর আক্রমণ করলে অন্যের বাড়িতে লুকিয়ে থেকে রক্ষা পান।

এদিকে এ মামলার ব্যাপারে আতাউর রহমানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জানা গেছে, গত বছরের ১১ এপ্রিল তিনি ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লক্ষ্মীপুর শাখায় কর্মরত আয়া রাশেদা বেগমকে গোপনে বিয়ে করেন জামায়াতের সাবেক আমির আতাউর। কিন্তু স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেয়ে বিষয়টি ফাঁস করে দেন ওই আয়া। বিষয়টি ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও জামায়াতের নেতাদেরকে জানান রাশেদা বেগম। নগরীর রাজপাড়া থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিবাহ রেজিস্ট্রার ও কাজী আবদুর সাত্তারের কাছে দুই লাখ টাকা দেনমোহরে তাকে বিয়ে (কাবিননামা নম্বর ০৬/২০১৬) করেন আতাউর রহমান।

কিন্তু বিয়ের এক বছর পার হয়ে গেলেও তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়নি।

জানুয়ারি 16, 2014

ওহাবের উস্কানিতে মালোপাড়ায় হামলা করে জামায়াতকর্মীরা

“প্রতি পাঁচ বছর পর পর ইলেকশন হয় আর দেশের কোথাও না কোথাও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হয়। ভোট দিলেও হামলা হয়, ভোট না দিলেও হামলা হয়। আমরা তো নৌকা মার্কাতেই ভোট দেই। কিন্তু আওয়ামী লীগ কি আমাদের হামলা থেকে বাঁচাইতে পারল?”

read more »

ডিসেম্বর 7, 2013

নির্বাচন নিয়ে আড়াই শ কোটি টাকার বিপাকে এরশাদ

ershad

কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে এরশাদের আয়ের অন্যতম পথ ছিল নির্বাচনে মনোনয়ন দানের মাধ্যমে প্রার্থীদের থেকে গৃহীত টাকা। বিগত দুটি নির্বাচনে এ নিয়ে তেমন কোন সমস্যা না হলেও এবার নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ঘোষণায় নেতাকর্মীদের চাপের পাশাপাশি সংগৃহীত টাকা ফেরত দেয়ার ব্যাপক চাপে আছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। জাতীয় পার্টি অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগের নির্বাচন করার সিদ্ধান্তের ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ভবিষ্যত রাজনীতি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি প্রধান দুই দলে বিলীন হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

read more »

অগাষ্ট 18, 2013

দুদকের প্রতিবেদনে বিসমিল্লাহ গ্রুপের দুর্নীতি

Untitled

দেশের ৫টি ব্যাংক থেকে প্রায় ১২শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় বিসমিল্লাহ গ্রুপের বিষয়ে আগামী সপ্তাহে প্রতিবেদন জমা দেবে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। 

টেরিটাওয়েল (তোয়ালে জাতীয় পণ্য) উৎপাদক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে বেশ পরিচিত বিসমিল্লাহ গ্রুপ। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে ৫টি ব্যাংক থেকে প্রায় ১২শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার।

read more »

অগাষ্ট 14, 2013

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রকাশ্যেই জমজমাট দেহব্যবসা চালাচ্ছে জামায়াত নেতা

দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পিকনিক স্পটে স্থানীয় বিএনপি ও জামাত নেতার তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা চলছে। প্রশাসনের নেই কোন মাথাব্যাথা। নিয়মিত মাসোআরা পাওয়ার কারণে তারা কোন একশন নেয়না। তবে ক্ষমতাসীন দলের একজন নেতাকেও বখরা দেয়া হয় বলে জানা যায়।

read more »

অগাষ্ট 6, 2013

নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে সেমাই

Adulterated-vermicel[1]ঈদের বাজারে খোলা সেমাইয়ের চাহিদা প্রচুর। তবে খোলা সেমাইয়ের অনেকগুলিই তৈরি হচ্ছে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। সেমাই কারখানাগুলোর অধিকাংশই মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নয়।

read more »

অগাষ্ট 5, 2013

কুষ্টিয়ার সিরিজ ধর্ষণকারী সাবেক ছাত্রদল নেতা পান্না মাস্টার গ্রেফতার

P1_sorkardolioder-sohaotaeকুষ্টিয়ায় দেড়শতাধিক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ এবং গোপন ক্যামেরায় দৃশ্য ধারণ করে বাজারে ছড়িয়ে দেয়া সাবেক ছাত্রদল নেতা ‘সিরিজ ধর্ষক’ হেলাল উদ্দিন (পান্না) মাস্টারকে ডিবি গ্রেফতার করেছে। সে তার কুকীর্তির কথা স্বীকার করেছে। ঘৃণ্য এ কাজে জড়িত ছিল তিন প্রকৌশলীসহ স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদল নেতারা। প্রকৌশলীদের দুজনকে বহিস্কার ও একজনকে বান্দরবনে বদলি করা হয়েছে।

read more »

অগাষ্ট 2, 2013

চট্টগ্রামে পানি শোধনের ১৩৫ কারখানার ১২০টিই অনুমোদনহীন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রতিদিন ১৩৫টি কারখানা প্লাস্টিকের বোতল ও জারে ‘পরিশোধিত’ পানি বাজারজাত করছে। তার মধ্যে মাত্র ১৫টি বিএসটিআইয়ের অনুমোদনপ্রাপ্ত। বৈধ এই ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে ডানকান, সিনমিন, ইয়েস, মুসকান, দাদা, আনন্দ, আরোয়া, ডক্টর ওয়াটার, মিম সুপার, আরিবা, আসিফ, বনফুল, কে ওয়াটার, নিউ জয় ও সাজিদ। বাকি ১২০ কারখানার বিএসটিআইর অনুমোদন নেই। অনুমোদনহীন কারখানাগুলোতে জার পরিষ্কারকযন্ত্র দূরের কথা, অধিকাংশেরই পানি পরিশোধনকারী ইউভি মেশিন নেই। এসব পানি অপরিশোধিত ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে মারাÍক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে নগরবাসী।

read more »