Archive for ‘জাতীয়’

অক্টোবর 9, 2018

শিবিরপন্থী কোটা নেতাদের সহায়তায় নিজামী পুত্র ওয়ামী ও ফ্রিডম পার্টির ইসমাইল

১২ এপ্রিল নুরুল হক নুরু কোটা বাতিল করায় প্রধানমন্ত্রীকে মাদার অব এডুকেশন খেতাবে ভূষিত করেছিল। গতকাল শিবিরের অনলাইন একটিভিস্ট নুরুল হক নুরু লাইভ বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকিদাতার মুক্তি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা লোপাটের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই যে তদন্ত করেছে সেখানে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশের কেউ জড়িত ছিলেন না। প্রধানমন্ত্রী কোটা চাইলে আন্দোলন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছিলেন, এর কারণ ছিল জনমতকে গুরুত্ব দেয়া ও সচেতন করা। কিন্তু ইন্ডিপেনডেন্ট টিভিতে নুরু উস্কানি দেয়ার অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছে। কার্যকর কোনো দাবি না থাকলেও ফেসবুক গ্রুপ ও আইডি থেকে ক্রমাগত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। এতকিছুর পর শিবিরের গুটিকয়েক কর্মী বিনা বাধায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি পালন করছে!

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ ও “হত্যার” অভিযোগে আইসিটি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। পুলিশের রিমান্ড আবেদনের শুনানি করে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহীদু্ল্লাহ কায়সার সোমবার এ আদেশ দেন।

কোটা ছাড়া কোনো দাবি নেই, ঘরে ফিরে যাবো এ জাতীয় মুখরোচক কথা বলে ইতিমধ্যে শহীদুল আলম ও মাইদুলসহ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তকারীদের মুক্তির দাবিতে কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে নুরুরা।
ইন্ডিপেনডেন্ট টিভিতে প্রধানমন্ত্রীকে উস্কানি দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করলেও বিনা বাধায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি পালন করেছে। শিবিরের এ হেন অপতৎপরতায় ছাত্রলীগের নিষ্ক্রিয়তায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পরিদর্শক (প্রসিকিউশন) বিজন কুমার বড়ুয়া বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত মাইদুলের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করল। শুনানিতে আমরা বলেছি, তিনি একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হয়ে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করেছেন। কিভাবে হুমকি দেন? উনার কাছ থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা কী শিখবে?

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কারণেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইদুল ইসলামেরকে ২৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাইদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করে। আদালতে বিচার চলমান। এ অবস্থায় যারা তার পক্ষে কর্মসূচি দিচ্ছে তারা আদালত অবমাননা করছে।

মাইদুল ইসলামসহ গ্রেপ্তারকৃত শিবিরপন্থী নেতা ও শিক্ষকদের মুক্তির দাবিতে প্রথম থেকেই সোচ্চার রয়েছে কোটা আন্দোলনে সংশ্লিষ্ট শিবিরের অনলাইন একটিভিস্টরা। বাক স্বাধীনতার কথা বললেও তাদের তৈরি ফেসবুক গ্রুপে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকলকে বের করে দেয়া হয়েছে।

বিভিন্ন হুমকি দেয়া ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে পরোক্ষভাবে কটাক্ষ করছে। প্রধানমন্ত্রী উস্কানি দিয়েছেন বলা ছাড়াও তক্রমাগত সরকার বিরোধী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে শিবিরের অনলাইন একটিভিস্ট নুরু, তারেক রহমান, মশিউর, তারেক রহমান ও সোহরাবসহ অনেকেই। আর এতে নেপথ্যে থেকে সমন্বয় করছে কবীর হোসেন শুভ নামে এক প্রবাসী শ্রমিক। আন্দোলনকারীদের মধ্যে রাশেদ ও মামুন শুধু কোটা আন্দোলনে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইলেও নুরু ও মশিউর সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু করে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যজোটের অংশীদার হতে চাচ্ছে। নুরু, মশিউর ও তারেকের সঙ্গে কবীর হোসেন শুভ নামে এক প্রবাসী শ্রমিকের মাধ্যমে লিয়াজোঁ রক্ষা করে প্রকৃতপক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছে মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র ওয়ামী ও ফ্রিডম পার্টির দেওয়ান ইসমাইল।

নানা বাহানায় ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে প্রতারণা করে টাকা আদায় বিশ্বাসযোগ্যতা হারানোর কারণে প্রবাসীদের প্রতি মনোযোগ দেয়া হয়। বিএনপি জামাতদের প্রবাসী নেতাকর্মীদের কাছ থেকে আন্দোলনের নামে টাকা জোগাড়ে সরাসরি সহায়তা করছে ওয়ামী। দেওয়ান ইসমাইলের নির্দেশে ফ্রিডম পার্টির কর্মিরা কোটা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে। বিদেশ থেকে আদায় করা টাকা কবীরের পেপালে জমা হয় এবং তা পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে নুরু ও তার পরামর্শে সংশ্লিষ্টদের একাউন্টে।

পটুয়াখালীর কলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের এক হত দরিদ্র পরিবারে নুরুল হক নুরুর জন্ম। তার বাবা ইদ্রিস হাওলাদার ভূমিহীন কৃষক ছিল। ইদ্রিস বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর কয়েকটি দালালির কাজ করে ইউপি সদস্য হয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলের লোক সাজায় তাকে স্থানীরা গলাচিপার মওদুদ ডাকে। সরকারী গম ও বন্যার্তদের ত্রাণ কেলেঙ্কারির কারণে ইদ্রিস পরবর্তিতে আর নির্বাচিত হতে পারে নি। বহু বিবাহের কারণে ইদ্রিসকে নিয়ে এলাকায় নানা কথা প্রচলিত আছে। নুরুর মা গলাচিপার সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হকের বাসায় গৃহভৃত্যের কাজ করতো। নুরু মা বেঁচে নেই, এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে ইদ্রিস আরেক বিয়ে করার জন্য তার স্ত্রীকে হত্যা করে। উল্লেখ্য নুরুর নানা ভুয়া মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট গ্রহণের চেষ্টা করে গণধোলাই খেয়েছিল।

গলাচিপার রাজা মিয়া জানান, নুরু ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় সর্বহারা দলের যুক্ত হয়ে বিভিন্ন অপকর্মে যুক্ত হলে তাকে গাজিপুরে বোনের বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। স্কুল জীবনেই গলাচিপার হাতেম মাস্টারের মেয়ের সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন এবং পালিয়ে বিয়ে করেন। সে সময় দুজনের কারোই বিয়ের বয়স হয় নি। ভাবী মিতা আক্তারের সমঝোতায় সকলে মেনে নিলে তারপর থেকে শ্বশুরের অর্থেই চলছে নুরু। গাজীপুরে বিএনপি নেতা হাসান সরকারের একটি মাদক স্পটে নুরু খন্ডকালীন দায়িত্ব পালন করতো নুরু। সে সময় থেকে সে ফেনসিডিলে আসক্ত হয়ে পড়ে।

সর্বশেষ কোটা আন্দোলনে নুরু, মশিউরদের যুক্ত হওয়ার নেপথ্যে ছিল ছাত্রছাত্রীদের টাকা হাতিয়ে নেয়া। পৃথিবীর কোনো আন্দোলন ভিক্ষাবৃত্তির উপর গড়ে ওঠেনি। এ আন্দোলনকারীদের কেউ রিকশাওয়ালার সন্তান, কেউ জেলের সন্তান, কেউ দরিদ্র কৃষক বা গার্মেন্টস কর্মির সন্তান। তাই পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ না থাকায় নিকৃষ্ট পরিবারের এইসব সন্তানদের মানুষের কাছে হাত পাততে মোটেও বিবেকে বাধে না। ভবিষ্যৎ বা ক্যারিয়ার বলে কিছু নেই, পরীক্ষার ফলাফলও সন্তোষজনক নয়। তাই বিএনপি জামাতের অর্থের লোভে আন্দোলন খেলায় মেতেছে তারা।

কোটা আন্দোলনের নেতৃত্বের কথার কোনো মূল্য নেই তা প্রমাণিত। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাহানা দিয়ে এখন তারা শহীদুল আলম, মাইদুলের মুক্তি, এমনকি সিনহা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতেও কথা বলা শুরু করেছে। অতএব বলার অপেক্ষা রাখে না তারা বাংলাদেশ বিরোধী শক্তির ইন্ধনে পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় কোটা নিয়ে আন্দোলন করতে হলে অবশ্যই এই চিহ্নিত দালালদের উৎখাত করে নতুন নেতৃত্ব মনোনীত করতে হবে।

কার্যত কিছু করতে না পারলেও সাধারণ জনগণের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ও জামাত শিবিরের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এই প্রতারকচক্র নানা বাহানায় আন্দোলনের নামে উস্কানি অব্যহত রাখছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামাত শিবির যে ভয়াবহ নাশকতার পরিকল্পনা নিয়েছে তাতে সহযোগিতা করতে ও শিবিরের ক্যাডারদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে ষড়যন্ত্র করছে কোটার নামে আন্দোলনকারী গুটিকয়েক ব্যক্তি। নুরুকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা উচিত বলে দাবি উঠেছে অনেক আগেই। তাকে রিমান্ডে নেয়া হলে নেপথ্যের সকল ষড়যন্ত্র উন্মচিত হবে।

এপ্রিল 5, 2018

গুম হওয়া বিএনপি নেতা রোহিঙ্গা নিয়ে ফুর্তিতে ছিলেন

১৯ দিন নিখোঁজ থাকা খুলনার বিএনপি নেতা নজরুলের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক অপহরণের অভিযোগ করা হয়েছিল। গতকাল তাকে রামুতে এক রোহিঙ্গা নারী সহ আটক করেছে পুলিশ।
খুলনা জেলা বিএনপির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম মোড়লের এক রোহিঙ্গা নারীর সাথে কক্সবাজারের রামুতে অবস্থান করার তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ বিকেলে নজরুল ইসলাম মোড়ল ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরঘোনা ইউনিয়নের বেতাগ্রামের বাড়ি থেকে আঠারো মাইল বাজারে যান। সেখান থেকে একটি মোটরসাইকেল ভাড়া করে তিনি যশোরের কেশবপুরের মঙ্গলকোট এলাকায় ডাক্তার দেখানোর কথা বলে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নজরুলের সন্ধান না পাওয়ায় সেদিন রাতেই তার স্ত্রী তানজিলা বেগম ডুমুরিয়া থানায় একটি জিডি করেন।

পরিবার ও বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ ছিলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গুম করেছে। শুরু থেকেই এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ডুমুরিয়া থানার ওসি হাবিল হোসেন বলেছিলেন, এটি অপহরণের কোনো ঘটনা নয়।

ডুমুরিয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন বলেন, নিখোঁজের দিনই নজরুল তার মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ১৪ দিন পর কিছু সময়ের জন্য মোবাইল চালু করা হয়েছিল। সে সময় তার অবস্থান ছিল রামুতে। রামুতে অনুসন্ধান চালিয়ে জানা যায়, জুলহাস মন্ডল নামে এক ব্যক্তির বাসায় রোহিঙ্গা নারী সহ বসবাস করছেন নজরুল।
রামুর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নজরুল এর আগে রোহিঙ্গাদের সহায়তার জন্য কয়েকবার এসেছিল। তখন থেকে কয়েকটি রোহিঙ্গা পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করতে থাকেন। পরবর্তিতে একটি রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য বাড়ি ভাড়া নেন এবং মমতাজ বেগম নামে এক রোহিঙ্গা নারীর সাথে একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন।

রোহিঙ্গা নারী নিয়ে বসবাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে নজরুল তাকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন। রোহিঙ্গা বিবাহ করা নিষিদ্ধ বলে কলেমা পড়ে বিয়ের কথা জানান তিনি।

জানা গেছে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে নজরুলকে খুলনায় আনতে ডুমুরিয়া থানা পুলিশের একটি দল রামুর উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি 19, 2018

বাসে বায়ুত্যাগ, বিদঘুটে গন্ধে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগদান পণ্ড!


লালমনিরহাট, অপরাধ কণ্ঠ : মানুষ সাধারণত গোপনীয়তা বজায় রেখেই বায়ুত্যাগ করে। কেউ লোকলজ্জার তোয়াক্কা না করে কাজটি সেরে ফেলেন। তবে নিঃশব্দে বায়ু ত্যাগের ফলে যদি বিদঘুটে গন্ধ সৃষ্টি হয় তাহলে অস্বস্থিতে পড়েন সকলেই। গতকাল লালমনিরহাটে এসি বাসে এক ব্যক্তির বায়ুত্যাগে পরিবেশ ঘোলাটে হয়ে ওঠে।

জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে লালমনিরহাটের আশেপাশের এলাকা থেকে নেতাকর্মীদের সমবেত করতে জেলা সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলু কয়েকটি বাস ভাড়া করেছিলেন। জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে বাস যোগে সমাবেশে যোগ দেয়ার সময় একজন নিঃশব্দে বায়ুত্যাগ করেন। নাজুক পরিস্থিতিতে বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা বায়ু ত্যাগকারীকে বাস থেকে নেমে যেতে বলেন। এ সময় ছাত্রদল নেতা কুদরত-ই-মেহেরবান যুবদল নেতা আবুল কালাম বিপ্লবকে দোষারোপ করলে সন্দেহভাজনকে বাস থেকে নামিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বিপ্লবকে নামানো হলেও বুড়িমারী মহাসড়কে ওঠার পর তৃতীয়বার বায়ু ত্যাগ করা হলে বিদঘুটে গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন নেতাকর্মীরা।

পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠলে বিএনপি নেতা ফারহান উদ্দিন পাশা বায়ু ত্যাগের জন্য ইকবাল আযম নামে অপর নেতাকে দায়ী করেন। এক পর্যায়ে উত্তপ্ত বাক-বিতণ্ডা শুরু হয় এবং অনেকে বাস থেকে নেমে যেতে শুরু করেন। অবশেষে সমাবেশে যোগদান বাতিল হয়।

ফেব্রুয়ারি 12, 2018

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন খালেদা জিয়া

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের পর এবার খালেদা জিয়া নিজেই অনুধাবন করতে পারছেন যে তার এই অবস্থার জন্য তারেক রহমানই প্রধানত দায়ী। উল্লেখ্য ২০০৮ সালে জিয়া এতিমখানা নিয়ে মামলা হওয়ার পর খালেদা জিয়ার ব‍্যক্তিগত সচিব সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে তারেকের পরামর্শেই এতিমখানার নামে অনুদান চাওয়া হয়।

ফালু আরও বলেছিলেন, এতিমখানার নামে এফডিআর করা ফান্ড দেখিয়ে ৭০ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিল তারেক রহমান। অতঃপর ২০০৬ সালে সলিমুল হক, সৈয়দ আহমেদ ও গিয়াস উদ্দিনের নামে একই টাকা ট্রান্সফার ও এফডিআর করে তিনটি ভুয়া কোম্পানির নামে সোনালী ব‍্যাংক থেকে দেড়শ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হয়েছিল। এছাড়া কোকো জাহাজ ও ডান্ডির নামে ২০০৭ সালে তারেকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে জেল থেকে মুক্তি বিলম্বিত হলে অবিলম্বে হাসপাতালে যেতে চাচ্ছেন বেগম জিয়া। বেগম জিয়ার সঙ্গে পাঁচ আইনজীবীর সাক্ষাতে বিএনপির চেয়ারপারসন এই মনোভাব ব্যক্ত করেছেন।
আইনজীবীরা খালেদা জিয়াকে পরামর্শ দিয়েছেন তারেকের উপর অর্থ আত্মসাতের দায় চাপিয়ে দিতে।

যে আইনজীবীরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন তাঁরা এর সত্যতা স্বীকার করেছেন। আইনজীবীরা বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ব্যক্তিগত চিকিৎসককে দিয়ে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন করেছেন।

শনিবার বিকেলে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ সহ পাঁচ জন আইনজীবী বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জেলখানার একাধিক সূত্রগুলো বলছে, শুক্রবার কিছুটা শান্ত থাকলেও শনিবার অনেকটাই অস্থির হয়ে উঠেছেন বেগম জিয়া। সকাল থেকে অন্তত আটবার কারাগারের লোকজনকে ডেকে নানা সমস্যার কথা বলেছেন। মাঝে মধ্যেই মেজাজের খেই হারিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেছেন।

বেগম জিয়া তাঁর আইনজীবীদের কাছেও তারেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভের কথা বলেছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে বেগম জিয়াকে যে কক্ষ দেওয়া হয়েছে, তা আধুনিক সাঁজসজ্জায় সজ্জিত। কিন্তু বেগম জিয়া কারা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন, তার শোবার খাটটি যথেষ্ট নরম নয়। বেগম জিয়া সার্বক্ষণিক গরম পানি চান। কিন্ত তেমন ব্যবস্থা কারাগারে নেই। কারাগারের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁর জন্য নিয়মিত পানি গরম করে সরবরাহ করা হচ্ছে এবং আলাদাভাবে রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেগম জিয়া তাঁর কক্ষে রক্ষিত টেলিভিশনে হিন্দি চ্যানেল বিশেষ করে স্টার প্লাস এবং পাকিস্তানের নেট জিও চ্যানেল দেখতে চান। কিন্ত কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, কারাগারে ডিশ সুবিধা নিয়ন্ত্রিত। এখানে শুধু বাংলাদেশি চ্যানেল দেখানো যায়। আইনজীবীরা আসার আগে বেগম জিয়া কারাগারের বিভিন্ন অসুবিধা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে আইনজীবীদেরও তিনি একই অভিযোগ করেছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন পর্যন্ত বেগম জিয়ার বড় কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা যায়নি। তবে কারা কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মচারীর কাছে তারেক রহমান ও বিএনপি নেতাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার কারাগারে আসার পর কোথাও বিক্ষোভ মিছিল ও জোরদার কর্মসূচি ঘোষণা না করায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

জানুয়ারি 16, 2018

‘হিজড়া’ পরিচয়ে ভোটার হওয়ার সিদ্ধান্ত

নারী বা পুরুষের পাশাপাশি কেউ চাইলে হিজড়া পরিচয়েও ভোটার হতে পারবেন, এমন উদ্যোগ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে বুধবার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, সরকারের পক্ষ থেকে হিজড়া জনগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেয়া হলেও ভোটার তালিকা অাইন ও বিধিমালায় বিষয়টি না থাকায় এতোদিন এটি করা যায়নি। তাই কমিশন ভোটার তালিকা অাইন-২০০৯ ও ভোটার তালিকা বিধিমালা-২০১২ সংশোধন করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

বুধবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অাসার কথা রয়েছে। অার এরকমটি হলে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহের জন্য নিবন্ধন ফরমের লিঙ্গ পরিচয় ছকে নারী ও পুরুষের সঙ্গে হিজড়া যোগ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানা যায়।

২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর মন্ত্রিসভায় হিজড়াদের স্বীকৃতি বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। রাষ্ট্রপতির অাদেশক্রমে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালায়ের সহকারী সচিব মো. মুখলেছুর রহমান খান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সরকার বাংলাদেশের হিজড়া জনগোষ্ঠীকে হিজড়া লিঙ্গ (hijra) হিসেবে চিহ্নিত করিয়া স্বীকৃতি প্রদান করিল।’

যদিও ২০১৪ সালে কাজী রকিবউদ্দীন অাহমদ নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০১৪ সালে ভোটার তালিকা নিবন্ধনের খসড়া ফরমে হিজড়া লিঙ্গটি যোগ করেছিলেন। কিন্তু ভোটার তালিকা অাইন ও বিধিমালা সংশোধন না হওয়ায় সেটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করতে পারেননি তারা। এখন পর্যন্ত কেউ ভোটার হতে চাইলে তাকে নারী বা পুরুষ লিঙ্গ বেছে নিতে হয়।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব মো. মোশাররফ হোসেন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, যেহেতু সরকার হিজড়া জনগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই কমিশন তাদেরকে ভোটার করার উদ্যোগ নিচ্ছে। অার যেহেতু ভোটার তালিকা অাইন ও বিধিতে বিষয়টির উল্লেখ নেই, তাই এটি করতে হলে অাগে ভোটার তালিকা অাইন ও বিধিমালা সংশোধন করতে হবে।

জানুয়ারি 17, 2014

রনি ক্ষমতার জন্য কুত্তা পাগল হয়ে গেছে: বিএনএফ সভাপতি আজাদ

Untitled-1

নবগঠিত দল বিএনএফ এর সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, গোলাম মাওলা রনি ক্ষমতার জন্য কুত্তা পাগল হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর তোপখানা রোডে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন।

read more »

সেপ্টেম্বর 22, 2013

হেফাজতের অপতৎপরতা বন্ধের দাবি পোশাক শ্রমিকদের

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের পোশাক শ্রমিক মহাসমাবেশে হেফাজতে ইসলামকে একটি জঙ্গি সংগঠন বলেও আখ্যায়িত করে হেফাজতের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

read more »

জুলাই 25, 2013

ড. ইউনূসের গ্রেফতার দাবি ওলামা-মাশায়েখদের

D-R-U-Olama20130725020814[1]

সমকামীদের সমর্থন দেওয়ার অপরাধে নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের গ্রেফতার দাবি করেছে ওলামা-মাশায়েখ সংহতি পরিষদ। একই সঙ্গে তাকে সামাজিকভাবে বয়কট করে যেখানেই তাকে পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহতের জন্যও সকল ধর্ম বিশ্বাসীদের প্রতি আহবান জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ দাবি জানান সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা আইয়ূব আনসারী।

read more »