Archive for ‘অপরাধ সংবাদ’

মার্চ 15, 2018

বলৎকারের অভিযোগ করায় ছাত্র নির্যাতন

chil.jpgরাজধানীর রামপুরায় আবু রায়হান নামে ১১ বছরের এক বালককে নির্মমভাবে প্রহার করেছে শিক্ষক মুফতি আবুল কালাম আজাদ বাশার। পড়া মুখস্ত না মারার কথা বলা হলেও কিছুদিন আগে মাওলানা বাশার কর্তৃক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়েছিল আবু রায়হান।

জানা গেছে, আইডিয়াল স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র রায়হানের আরবী শিক্ষক হিসেবে আবুল কালাম আজাদ (বাশার) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে ঠিক করেছিল তার পরিবার। কিছুদিন পর তার কাছে পড়তে অনীহা প্রকাশ করে। এছাড়া দুজন সহপাঠির কাছে বাশার কর্তৃক বলৎকারের কথা জানিয়েছিল রায়হান।

গত সোমবার মুফতি বাশার রায়হানকে বেদম প্রহার শুরু করে। তার মা এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে বাশার পড়া মুখস্ত না করার কথা বলেন। ঘটনার পর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে রায়হানকে মগবাজারের রাশমনো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রায়হানের শরীরের বিভিন্ন অংশে কামড়ের দাগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

আবু রায়হানের ভাই নাজিম উদ্দিন জানান, বাশার ও তাদের গ্রামের বাড়ি চোদ্দগ্রামের একই ইউনিয়নে। বাশারের পিতা আবদুল হাকিমের সাথে সম্পর্কের সুবাদে মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে রাখা হয়েছিল।
প্রহারের ঘটনার পর কোন মামলা না হলেও বাশারকে বিদায় করে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিক বলেন, এ ধরণের লোককে শিক্ষক হিসেবে মাদ্রাসায় রাখাও ছাত্রদের জন্য নিরাপদ নয়।

মার্চ 14, 2018

“যাবজ্জীবন রাষ্ট্রপতি” শি জিনপিংকে তারেক রহমানের অভিনন্দন

বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় হস্তক্ষেপ কামনা

চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতার মেয়াদ দুই দফার পরিবর্তে আজীবনের জন্য নিযুক্ত হওয়ায় শি জিনপিংকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১০ মার্চ তারেক রহমানের পক্ষে রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত অভিনন্দন বার্তাটি চীন দূতাবাসের সম্প্রতি দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ঝাঙ জুও’র কাছে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমান জিনপিংকে “যাবজ্জীবন বহাল রাখায়” সাফল্য কামনা করে বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় হস্তক্ষেপ করার আহবান জানিয়েছেন।

চীনকে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে জিনপিং যে পদ্ধতিতে ক্ষমতায় বহাল রয়েছেন সেটিকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের উদ্ভাবন বলে দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, “দুই বারের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন না করার যে অগণতান্ত্রিক রীতি প্রচলিত ছিল তা রহিত করায় গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।”

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে চীনের অবদান স্মরণ করে তারেক রহমান দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে “গণতন্ত্রের মা” হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলেন, একদলীয় স্বৈরাচারী সরকারের হাত থেকে মুক্তি পেতে দেশের মজলুম জনতা ব্যাকুলভাবে অপেক্ষা করছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শুধুমাত্র চীনই পারে, বর্তমানের অন্ধকার ও বিপজ্জনক অবস্থা থেকে বাংলাদেশকে আলোর ধারায় ফিরিয়ে আনতে।”

"যাবজ্জীবন রাষ্ট্রপতি" শি জিনপিংকে তারেক রহমানের অভিনন্দন

“যাবজ্জীবন রাষ্ট্রপতি” শি জিনপিংকে তারেক রহমানের অভিনন্দন

ফেব্রুয়ারি 28, 2018

প্রেমে রাজি না হওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে কুপিয়েছে শিবির ক্যাডার


প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে কুপিয়ে জখম করেছে শিবির ক্যাডার জাহিদুল ইসলাম। সোমবার কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মহেশখালীর কালারমারছড়া আর্দশ দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ও ফকিরজুম পাড়ার মোহাম্মদ হোছাইন-এর মেয়ে নাহিদা আক্তার (১৬) প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হোয়ানক পুর্ব হরিয়ারছড়া এলাকার জামায়াত নেতা মাওলানা লোকমান হাকিমের ছেলে শিবির ক্যাডার জাহেদুল ইসলাম গত শনিবার বিকালে নাহিদার বাড়িতে হামলা চালিয়ে নাহিদার শরীরের বিভিন্ন অংশ চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে।

গুরতর আহত নাহিদাকে প্রথমে মহেশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এই ঘটনায় নাহিদার বাবা বাদী হয়ে শিবির ক্যাডার জাহিদুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ৭ জনের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় মামলা দায়ের করে। নাহিদার মুখে, মাথায়, বুকে, পেটে ও হাতে চাপাতির অসংখ্য আঘাত রয়েছে। নাহিদা বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি 12, 2018

বিআইডব্লিউটিএ’তে চলছে সিবিএ নেতাদের ত্রাসের রাজত্ব

 

বিআইডব্লিউটিএ’তে সিবিএ নেতাদের ত্রাসের রাজত্ব চলছে। সাধারণ কর্মচারী/কর্মকর্তারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) তে শ্রম আইন অনুযায়ী ৩ টি ট্রেড ইউনিয়নের বেশি ট্রেড ইউনিয়ন করার আইন না থাকলেও বিদ্যমান আইন না মেনে বেআইনীভাবে (শ্রম আইনানুযায়ী পূর্বের ইউনিয়ন হতে লিখিত পদত্যাগ দাখিল না করেই পূর্ববর্তী ইউনিয়নের সদস্যদের দিয়ে জোরপূর্বক ডি ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে) সম্প্রতি (২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে) বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নামে চতুর্থ ট্রেড ইউনিয়ন হিসেবে নতুন একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়। যার রেজিস্ট্রশ নং-বি-২১৭৬, এরপর ইউনিয়নটি জাতীয় শ্রমিক লীগের অন্তর্ভুক্ত হয়।

ইউনিয়ন গঠনের দুইমাস পরে (এপ্রিল মাসে) সিবিএ নির্বাচন চেয়ে ইউনিয়নের পক্ষে শ্রম দপ্তরে আবেদন করা হয়। এসময় একই ব্যক্তি বর্তমান ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি পদে থেকেও পূর্বের ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সিবিএ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেনা মর্মে পত্র দেয়, যার ফলে বর্তমান ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-বি-২১৭৬ কে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিবিএ হিসেবে ঘোষণা করে শ্রম দপ্তর।এই সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ১৯৯১ সালে অনুরূপ ভাবে গঠিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-বি-১৯২৮) যা জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তিনি উক্ত ইউনিয়নটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি সিবিএ’র সাধাররণ সম্পাদক হবার পরে দৈনিক যুগান্তরসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদের শিরোণাম হয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন।

সাধারন সম্পাদক হবার পরই তিনি নিরীহ কর্মচারীদের জিম্মি করে টেবিল বানিজ্য, বদলী বানিজ্য এবং শাখা কমিটি গঠনের নামে প্রায় কোটি টাকার বানিজ্য করেন। তার নির্যাতন থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরাও ছাড় পাচ্ছেননা। নব গঠিত এ সিবিএ’র বয়স মাত্র ১ বছর হলেও জিএস রফিকুল ইসলাম গাড়ি কিনেছেন ৩ টি, সর্বশেষ কিনেছেন ৩৬ লক্ষ টাকা দামের নোয়া গাড়ী, বিআইডব্লিউটিএ’র জায়গা বেআইনীভাবে নিজের ছেলের নামে ডক ইয়ার্ডের কথা বলে নাম মাত্র মূল্যে লীজ নেওয়াসহ, আরিচায় বেশ কিছু জমির মালিক বনে গেছেন। শ্রম আইন অনুযায়ী ইউনিয়নের নেতাদের বদলী করা না গেলেও তিনি গায়ের জোরে বদলী করেছেন। তার কথা না শুনলেই তিনি পরিষদের নেতাদের বহিষ্কার করেন।

কেন্দ্রীয় পরিষদের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, দপ্তর ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ শাখার যুগ্ম আহবায়ক’কে অগঠনতান্ত্রিক এবং বেআইনীভাবে বহিষ্কার করেন। দপ্তর ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক কে অবৈধভাবে বহিষ্কার করলে তিনি বিজ্ঞ শ্রম আদালতে বহিষ্কার আদেশ চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত বহিষ্কার আদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন, শ্রম আদালতের মামলা নং-বিএলআর ৫৮৪/২০১৭।পূর্ববর্তী ইউনিয়নের কল্যাণ তহবিলের নামে জমা থাকা টাকা বর্তমান ইউনিয়নের কল্যাণ তহবিলের নামে জমা হবার পর সাধারণ সম্পাদক উক্ত (দশ লক্ষ) টাকা উত্তোলন করতে বললে তহবিলের সদস্য সচিব দিতে অস্বীকার করলে তিনি অফিস চলাকালীন সময়ে তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করেন। ইতোমধ্যে কল্যাণ তহবিল হতে কিছু টাকা উত্তোলিতও হয়েছে। এ ব্যাপারে মতিঝিল থানায় একটি জিডি করা হয়েছে, যার নং-২২৪১, তারিখ-৩০-০৪-২০১৭।

শ্রম আইন অনুযায়ী কোন ইউনিয়ন বা সিবিএ অফিসের কোন নিয়োগে হস্তক্ষেপ বা চাপ প্রয়োগ করতে পারবেনা বললেও তিনি ইউনিয়নের প্যাডে নিয়োগ প্রদানের জন্য তালিকা দিয়ে থাকেন এবং প্রতিটা নিয়োগে লাখ লাখ টাকার বানিজ্য করেন। গত ১৭-০৭-২০১৭ অফিস চলাকালীন সময়ে অপর ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক সনজীব কুমার দাস’কে সিবিএ’র সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে বেদম মারপিট করা হয়। এব্যাপারে সিএমএম কোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার নং- সিআর ১৫৯৭/২০১৭, তারিখঃ ২৩-০৭-২০১৭। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আপনাদের অনুসন্ধানীমূলক প্রতিবেদনে এ ঘটনাটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে ভুক্তভোগী কর্মচারীরা রেহাই পাবে।

জানুয়ারি 25, 2018

দিনে ইসলামের কথা, রাতে পতিতাবৃত্তি: নেপথ্যে ছাত্রীসংস্থার ৫ মক্ষীরানী

m3রাজধানী ঢাকার অধিকাংশ আবাসিক হোটেল এবং আবাসিক বাসভবনে দিনে-রাতে অবাধে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। গতকাল গোয়েন্দা পুলিশ কর্তৃক ঢাকার কয়েকটি স্থানে অভিযান চালনার পর আটক ছয় পতিতাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, প্রশাসনের নাকের ডগায় নারী দেহের পসরা সাজিয়ে অবাধে ব্যবসার নেপথ্যে রয়েছে জামাতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রী সংস্থার পাঁচ মক্ষীরাণী।

রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, কারওয়ান বাজার, মহাখালী, খিলগাও ও মগবাজার এলাকায় অসংখ্য আবাসিক হোটেল ও বাসায় দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক ব্যবসাও চালু রেখেছে উক্ত মহল।

জানা গেছে, জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি ও বিদেশ থেকে আসা ফান্ড বন্ধ হওয়ার কারণে ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা মাদক ব্যবসায় ও ছাত্রী সংস্থার সদস্যরা দেহব্যবসায় জড়িয়ে পড়তে শুরু করে। জামায়াত নেতাদের ভোগ বিলাসের জন্য ছাত্রী শাখা গঠন করা হয়েছিল। তবে সাংগঠনিক কর্মকান্ডের আড়ালে দেহ ভোগের বিষয়টি সেভাবে আলোচিত হয়নি।

[ছাত্রী সংস্থার নারীদের কিভাবে ইসলামের অপব্যবহার করে পতিতায় পরিণত করা হয় তার চাঞ্জল্যকর তথ্য থাকবে পরবর্তি পর্বে।]

ইসলামী শরীয়তের সাথে পতিতাবৃত্তি সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে গ্রেফতারকৃত মক্ষীরানী নিলুফার বলেন, মাওলানা মওদুদী হুজুরের কিতাবে আছে দাসী ভোগ করা জায়েজ। আমরা দুই দিনের দুনিয়ায় আখেরাতের কামিয়াবির জন্য নিজেদেরকে খাদেম হিসাবে কোরবান করেছি। আলেম ওলামাদের খেদমতে কোনো পাপ নাই। মন পবিত্র আছে কিনা সেইটাই বড় কথা।”

উল্লেখ্য  ছাত্রী সংস্থার সদস্যদের সাংগঠনিকভাবে দাসী মর্যাদা দেয়া হয়। ফলে মওদুদী মতবাদ অনুসারে ছাত্রী সংস্থার সদস্যদের ভোগ করার অধিকার নেতৃবৃন্দের রয়েছে।

ছাত্রী সংস্থার সদস্যরা প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই দল থেকে মাসে নির্দিষ্ট অংকের টাকা পেত। গত দুই বছরে সাংগঠনিক স্থবিরতা ও আর্থিক সংকটের কারণে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অসৎ পথে আসায় রাজধানীর দেহ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে ছাত্রী সংস্থা ও শিবিরের কয়েকজনের কাছে।

d1

ঢাকার দেহব্যবসা পাঁচ জনের নেতৃত্বে চললেও গুল বদন, দিল আফরোজ ও খুরমা মূলত নারী জোগাড় ও সরকরাহ এবং মেহেক ও চম্পা ইয়াবা সংগ্রহ ও সরবরাহে মূল ভূমিকা পালন করে। আরও জানা যায়, একটি শ্রেণীর কাছে নারীর চেয়ে হিজড়া বেশি পছন্দনীয়। পাকিস্তানে হিজড়ার উপভোক্তা বেশি হলেও বাংলাদেশে জামাত ঘরানার অনেকে হিজড়া ভোগে অভ্যস্থ। হিজড়া ভোগ সহজতর করতে ২০১০ সালে ছাত্র শিবিরের সম্মেলনে জামাতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কর্তৃক কয়েকজন হিজড়াকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান দিলে শিশির মোহাম্মদ মনিরের নেতৃত্বে শিবিরের একটি গ্রুপ বিরোধিতা করে। নারী ও হিজড়া সম্ভোগ নিয়ে বিরোধিতার এক পর্যায়ে মনিরকে বহিস্কার করা হয় এবং শিবিরের ২৫ জনকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।

ঢাকা কেন্দ্রিক দেহ ব্যবসার নেটওয়ার্কে গুলজার, লাদেন ও সাদ্দাম ছদ্মনামে ছাত্র শিবিরের তিন নেতা পাঁচ মক্ষীরানীর প্রধান দালালের ভূমিকা পালন করে। নারী ও মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে তাদেরকে ডিজিটাল দালাল বলা হয়।

গতকাল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন পতিতা আটকের পর দেখা যায় শার্ট প্যান্ট বা স্কার্টের উপরে তারা বোরকা পরেছে। আটককৃতদের মধ্যে তিন পতিতা বোরকার নীচে কিছুই পরেনি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ইসলাম প্রচারের নামে ছাত্রীদের আকৃষ্ট করা হয়। এছাড়া পুরস্কারের নামে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের নাম ঠিকানা জোগাড় করে জামাতি আদর্শে অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করা হয়।

ছাত্রী সংস্থায় জড়িত হওয়ার দুই বছরের মধ্যে সদস্যদেরকে কোনো অপকর্ম সম্পর্কে বুঝতে দেয়া হয় না। সদস্যদের জন্য প্রকাশিত বই পুস্তকে জামাতই একমাত্র দল এবং জামাত নেতারা আল্লাহর প্রতিনিধি এমন ধারণা সৃষ্টির পাশাপাশি বিভিন্ন অপব্যাখ্যা দিয়ে বোঝানো হয় যে জামাত-শিবিরের নেতারা ভোগ করলে কোনো গুনাহ হবে না। অনেকক্ষেত্রে প্রেমের নামেও তাদের অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। পরবর্তিতে ব্ল্যাকমেইল করে পতিতাবৃত্তিতে যুক্ত করা হয়। এছাড়া অনেকে অর্থের অভাবে কিংবা অর্থের প্রলোভনে পড়ে বিলাসিতার জন্য দেহব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে।

রাজধানীতে প্রায় ১০৩টি হোটেল ও আবাসিক বাসভবনে ছাত্রী সংস্থার পাঁচ নেত্রী দেহ ব্যবসা পরিচালনা করছে। কিছু অসাধু পুলিশ ও সাংবাদিকদের নিয়মিত টাকা দেয়া ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রভাবশালী ব্যক্তিগণের সাথে এই চক্রের সুসম্পর্ক রয়েছে।

উম্মে হাবিবা নামে ছাত্রী সংস্থার এক যৌনকর্মী জানায়, খদ্দের যে টাকা নেয় তার ৫০ ভাগ তাদের দেয়। বাকি টাকা থেকে মধ্যস্থতাকারী দালাল ও আনুষাঙ্গিক খরচের পর পাঁচ নিয়ন্ত্রকের কাছে চলে যায়।

পতিতারা ছদ্মনামে ভিজি

টিং কার্ডও ব্যবহার করে যেখানে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা বা সাইমুম শিল্প গোষ্ঠীর নাম থাকে। আবার অনেক সময় কার্ডে হোটেল বা মধ্যস্থতাকারীর মোবাইল নম্বর থাকে। আর এভাবেই খদ্দেররা পৌঁছে যায় যৌনকর্মীদের কাছে।

ছাত্রী সংস্থার সদস্যরা দিনে ইসলামের কথা বলে ছাত্রীদের জামাতের সাথে যুক্ত হওয়ার আহবান জানায়। বিকেল থেকে শুরু করে পতিতাবৃত্তি।

m1

সচেতন মহলের আশঙ্কা এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে বড় ধরনের সামাজিক অবক্ষয়ের মুখে পড়তে পারে যুবসমাজ। সমাজের ক্ষতিকারক এ দেহ ব্যবসা প্রতিরোধে ছাত্রী সংস্থাকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছে দেশবাসী।

সেপ্টেম্বর 19, 2017

আশ্রয় ও সহায়তার নামে ৯ জামাত নেতা মিলে ধর্ষণ করে রোহিঙ্গা নারীকে

রোহিঙ্গা ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আবদুস ছালাম

রোহিঙ্গা ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আবদুস ছালাম

বার্মা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাংলাদেশে এসে জামায়াতের বর্মীদের কাছে নিগৃহীত হওয়ার বর্ণনা করেন এক রোহিঙ্গা দম্পতি। আশ্রয় ও সহায়তার নামে জামায়াত নেতা আবদুস ছালাম , জালাল চৌধুরী সহ ৯ জন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে আরফা (১৮)কে।

তৈয়ব আলী ও খাদিজা বেগমের বড় মেয়ে আরফা (১৮)র বিয়ে ঠিক হয়েছিল। এমন সময় বিভীষিকা নেমে আসলে পরিবারটি রুমখাঁ নামের এক বাংলাদেশী দালাল মাধ্যমে উখিয়া শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। পালং গ্রামের করিম বক্সের ছেলে রুমখাঁর মাধ্যমে পরিচয় হয় ডা: ছালাম ও এডভোকেট জালালের সাথে। তারা তৈয়ব ও খাদিজাকে কাজ ও থাকার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে একটি বাড়ি ভাড়া করে দেয়। গত শুক্রবার রোহিঙ্গা দম্পতির বড় মেয়ের সাথে ছালাম ও জালাল অশালীন আচরণ করলে তারা এই দুই জামায়াত নেতার পা ধরে সম্মান রক্ষার আকুতি জানায়।
ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি ত্যাগ করলেও জামায়াত ও শিবিরের আরও ৬ জন নেতাকর্মী নিয়ে রোববার সেই ভাড়া করা বাড়িতে হানা দেয়। বাবা-মায়ের চোখের সামনে রাতভর তরুনীটিকে ধর্ষণ করে এবং পাশবিক নির্যাতন চালায়।

গতকাল তৈয়ব আলী ও আরফা থানায় অভিযোগ জানালে ভাড়া করা বাড়ি থেকে তাদের বের করে দেয়া হয়।
জানা গেছে, আবদুস ছালাম, জালাল ও রুমখাঁকে অভিযুক্ত করে আরো অজ্ঞাত ৬ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সকাল ৯ ঘটিকায় ছালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যরা পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য উক্ত পরিবারের আবার স্থান হয়েছে টেকনাফ উপজেলার হোয়াক্যং ইউনিয়নেরর রইক্ষ্যং শরণার্থী ক্যাম্পে।

সেপ্টেম্বর 17, 2017

বিএনপির নেতাকর্মীদের নির্মমতার কবলে এক রোহিঙ্গা শরণার্থী!

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বরতার হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে এলেও বিএনপির নির্মমতার কাছে হেরে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এক রোহিঙ্গা পুরুষ। সংবাদ ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান এর।

কক্সবাজারে জাকির সালাম নামে এক রোহিঙ্গা শেণার্থীকে শিশু চুরির অভিযোগ এনে নির্দয় ভাবে প্রহার করে।

জানা গেছে, কক্সবাজারের যুবদল নেতা হরমুজের বাড়িতে খাবারের জন্য গিয়েছিল ওই রোহিঙ্গা জাকির। এ সময় তার চার বছরের ছেলেকে না পেয়ে জাকিরকে শিশু চোর হিসেবে সন্দেহ করে। হরমুজ তার অনুসারী নেতাকর্মীদের ডেকে আনলে রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি, লাথি ছাড়াও গাছে বেঁধে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত যুবদল কর্মীরা। ঘটনাস্থলেই জাকিরের মৃত্যু হয়।

রোহিঙ্গা এই ব্যক্তিকে গণপিটুনির দৃশ্য ধারণ করেছেন বার্তাসংস্থা এপির এক আলোকচিত্রী।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চারদিক থেকে উত্তেজিত জনতা তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করছে। এসময় তিনি আঘাত থেকে বাঁচতে প্রাণপণ চেষ্টা চালান।

গণপিটুনির এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

নিস্তেজ শরীরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েও রেহাই মেলেনি তার। পরে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে মারপিট করা হয়।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান বলছে, ২০ জনেরও বেশি মানুষ ওই রোহিঙ্গা ব্যক্তির ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে অনেক তরুণ ছিল। রোহিঙ্গা ওই ব্যক্তিকে গাছের সঙ্গে বাঁধার আগে প্রাণভিক্ষা চান তিনি।

যুবদল নেতা হরমুজের বিরুদ্ধে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। আরো জানা গেছে হরমুজের শিশু পুত্রকে তার ভাইয়ের বাড়িতে পাওয়া গেছে।

rohingya3

rohingya

ফেব্রুয়ারি 5, 2015

চৌদ্দগ্রামে পেট্রোল বোমাসহ জামায়াত ও শিবির নেতা আটক

বেলাল হোসেন, কুমিল্লা: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা হতে পেট্রোল বোমাসহ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও পৌরসভা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ।

রোববার দুপুর ২টার দিকে তার দেয়া তথ্য অনুসারে অভিযান চালিয়ে আমিনুল হক ও বাবুল নামের দুই শিবির ক্যাডারকে আটক করা হয়।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১১ টার দিকে পরিচালিত অভিযানে দুই শিবির নেতাকে আটক করা হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার চক্রবর্তী জানান জামায়াত নেতার বাড়িতে পেট্রোলবোমা ও আমিনুলের বাড়ি থেকে ককটেল, গান পাউডার, পেট্রোল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে চাদাবাজি, ধর্ষণ ও হত্যা মামলাসহ চৌদ্দগ্রাম থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।

জানুয়ারি 30, 2015

খালেদার সাথে সংলাপে না বসার অনুরোধ মোদির

moediবিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের লাগাতার হরতাল-অবরোধে সহিংসতা ও দেশজুড়ে সৃষ্টি করা অরাজক পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে খালেদা জিয়ার সাথে কোন প্রকার সংলাপ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি মনে করেন, সন্ত্রাসবাদের সাথে আপোষ এ অঞ্চলে শান্তি বিনষ্ট করবে। আমাদের নয়াদিল্লী সংবাদাতা জানান, বাংলাদেশের বিরাজমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি সহিংসতার বিরুদ্ধে গৃহীত সিদ্ধান্তে শেখ হাসিনার প্রশংসা করে সন্ত্রাস দমনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

read more »

জানুয়ারি 23, 2015

ফেইসবুকে যৌনজেহাদের আহবান জানিয়েছে বিএনপি জামাত

হরতাল অবরোধে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িতদের অনুপ্রানিত করতে যৌনজেহাদের আহবান জানিয়েছে বিএনপি জামাতের অনলাইন একটিভিস্টরা। জামাতের যুক্তরাষ্ট্র শাখার রুকন এবং বাশের কেল্লা ও মধুময় রাতের গল্প পেজের এডমিন সাবিনা আহমেদের একটি স্ট্যাটাসে যৌনজেহাদের প্রকাশ্য ঘোষনা আসার পর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চমকপ্রদ কাহিনী।

গতকাল সাবিনা আহমেদ তার একটি স্ট্যাটাসে যারা আন্দোলনে অংশ নিতে পারছে না তারা যেন আন্দোলনকারীদের রাতে বাসায় আশ্রয় দিয়ে সন্তুষ্ট করে তার আহবান জানায়।

read more »