Archive for মার্চ 15th, 2018

মার্চ 15, 2018

কবিরাজের যৌণশক্তি বর্ধক হালুয়া খেয়ে ২ জামায়াত নেতা নিহত, অসুস্থ বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক

21st august

সাভারের আশুলিয়ায় গোপন শক্তি বাড়াতে কবিরাজের হালুয়া খেয়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন আরও দুজন। নিহতরা হলেন সাবেক শিবির নেতা মোতালেব ও জামায়াতকর্মী জিল্লু রহমান।
অসুস্থ তিন জনের মধ্যে শামীমুর রহমান শামীম বিএনপির সহদফতর সম্পাদক এবং ফরিদউদ্দিন ২০ দলীয় জোট ও এনএনপির কেন্দ্রীয় নেতা। এছাড়া শাহীবাগ মহল্লার অধিবাসী মোকলেছুর রহমানের রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়নি।

বুধবার দিবাগত রাতে আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থরা সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আশুলিয়া থানার এসআই শাহিনুর ইসলাম জানান, দিবাগত রাতে করিবাজের তৈরি গোপন শক্তিবর্ধক হালুয়া খান ওই দুই জন। এর পর তাদের বমি শুরু করে একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার ভোরে জিল্লু ও মোতালেবের মৃত্যু হলে পরে সেখানে জানা যায় অপর তিন জন একই হালুয়া খেয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- যৌনশক্তি বর্ধক হালুয়ার বিষক্রিয়ায় এমন ঘটেছে।

অসুস্থ মোকলেছুর রহমান জানান, বিএনপি নেতা শামীম সাংসারিক অশান্তির কথা জানালে গত বুধবার সাবেক শিবির নেতা মোতালেব তাকে কবিরাজ ফরিদ শাহ চন্দ্রপুরীর ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় জিল্লুর তার কাছে থাকা হালুয়া দেখান।
শামীম কবিরাজের হেমায়েতপুরের চেম্বারে যেতে চাইলে ফরিদ উদ্দিন ও মোখলেছও তার সাথে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানান।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কবিরাজকে গ্রেফতারের সংবাদ জানা যায়নি। নিহত বা আহতদের পক্ষ থেকে কোন মামলা না হলেও পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে।

মার্চ 15, 2018

বলৎকারের অভিযোগ করায় ছাত্র নির্যাতন

chil.jpgরাজধানীর রামপুরায় আবু রায়হান নামে ১১ বছরের এক বালককে নির্মমভাবে প্রহার করেছে শিক্ষক মুফতি আবুল কালাম আজাদ বাশার। পড়া মুখস্ত না মারার কথা বলা হলেও কিছুদিন আগে মাওলানা বাশার কর্তৃক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়েছিল আবু রায়হান।

জানা গেছে, আইডিয়াল স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র রায়হানের আরবী শিক্ষক হিসেবে আবুল কালাম আজাদ (বাশার) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে ঠিক করেছিল তার পরিবার। কিছুদিন পর তার কাছে পড়তে অনীহা প্রকাশ করে। এছাড়া দুজন সহপাঠির কাছে বাশার কর্তৃক বলৎকারের কথা জানিয়েছিল রায়হান।

গত সোমবার মুফতি বাশার রায়হানকে বেদম প্রহার শুরু করে। তার মা এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে বাশার পড়া মুখস্ত না করার কথা বলেন। ঘটনার পর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে রায়হানকে মগবাজারের রাশমনো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রায়হানের শরীরের বিভিন্ন অংশে কামড়ের দাগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

আবু রায়হানের ভাই নাজিম উদ্দিন জানান, বাশার ও তাদের গ্রামের বাড়ি চোদ্দগ্রামের একই ইউনিয়নে। বাশারের পিতা আবদুল হাকিমের সাথে সম্পর্কের সুবাদে মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে রাখা হয়েছিল।
প্রহারের ঘটনার পর কোন মামলা না হলেও বাশারকে বিদায় করে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিক বলেন, এ ধরণের লোককে শিক্ষক হিসেবে মাদ্রাসায় রাখাও ছাত্রদের জন্য নিরাপদ নয়।