Archive for সেপ্টেম্বর, 2017

সেপ্টেম্বর 19, 2017

আশ্রয় ও সহায়তার নামে ৯ জামাত নেতা মিলে ধর্ষণ করে রোহিঙ্গা নারীকে

রোহিঙ্গা ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আবদুস ছালাম

রোহিঙ্গা ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আবদুস ছালাম

বার্মা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাংলাদেশে এসে জামায়াতের বর্মীদের কাছে নিগৃহীত হওয়ার বর্ণনা করেন এক রোহিঙ্গা দম্পতি। আশ্রয় ও সহায়তার নামে জামায়াত নেতা আবদুস ছালাম , জালাল চৌধুরী সহ ৯ জন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে আরফা (১৮)কে।

তৈয়ব আলী ও খাদিজা বেগমের বড় মেয়ে আরফা (১৮)র বিয়ে ঠিক হয়েছিল। এমন সময় বিভীষিকা নেমে আসলে পরিবারটি রুমখাঁ নামের এক বাংলাদেশী দালাল মাধ্যমে উখিয়া শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। পালং গ্রামের করিম বক্সের ছেলে রুমখাঁর মাধ্যমে পরিচয় হয় ডা: ছালাম ও এডভোকেট জালালের সাথে। তারা তৈয়ব ও খাদিজাকে কাজ ও থাকার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে একটি বাড়ি ভাড়া করে দেয়। গত শুক্রবার রোহিঙ্গা দম্পতির বড় মেয়ের সাথে ছালাম ও জালাল অশালীন আচরণ করলে তারা এই দুই জামায়াত নেতার পা ধরে সম্মান রক্ষার আকুতি জানায়।
ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি ত্যাগ করলেও জামায়াত ও শিবিরের আরও ৬ জন নেতাকর্মী নিয়ে রোববার সেই ভাড়া করা বাড়িতে হানা দেয়। বাবা-মায়ের চোখের সামনে রাতভর তরুনীটিকে ধর্ষণ করে এবং পাশবিক নির্যাতন চালায়।

গতকাল তৈয়ব আলী ও আরফা থানায় অভিযোগ জানালে ভাড়া করা বাড়ি থেকে তাদের বের করে দেয়া হয়।
জানা গেছে, আবদুস ছালাম, জালাল ও রুমখাঁকে অভিযুক্ত করে আরো অজ্ঞাত ৬ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সকাল ৯ ঘটিকায় ছালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যরা পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য উক্ত পরিবারের আবার স্থান হয়েছে টেকনাফ উপজেলার হোয়াক্যং ইউনিয়নেরর রইক্ষ্যং শরণার্থী ক্যাম্পে।

সেপ্টেম্বর 17, 2017

বিএনপির নেতাকর্মীদের নির্মমতার কবলে এক রোহিঙ্গা শরণার্থী!

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বরতার হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে এলেও বিএনপির নির্মমতার কাছে হেরে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এক রোহিঙ্গা পুরুষ। সংবাদ ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান এর।

কক্সবাজারে জাকির সালাম নামে এক রোহিঙ্গা শেণার্থীকে শিশু চুরির অভিযোগ এনে নির্দয় ভাবে প্রহার করে।

জানা গেছে, কক্সবাজারের যুবদল নেতা হরমুজের বাড়িতে খাবারের জন্য গিয়েছিল ওই রোহিঙ্গা জাকির। এ সময় তার চার বছরের ছেলেকে না পেয়ে জাকিরকে শিশু চোর হিসেবে সন্দেহ করে। হরমুজ তার অনুসারী নেতাকর্মীদের ডেকে আনলে রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি, লাথি ছাড়াও গাছে বেঁধে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত যুবদল কর্মীরা। ঘটনাস্থলেই জাকিরের মৃত্যু হয়।

রোহিঙ্গা এই ব্যক্তিকে গণপিটুনির দৃশ্য ধারণ করেছেন বার্তাসংস্থা এপির এক আলোকচিত্রী।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চারদিক থেকে উত্তেজিত জনতা তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করছে। এসময় তিনি আঘাত থেকে বাঁচতে প্রাণপণ চেষ্টা চালান।

গণপিটুনির এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

নিস্তেজ শরীরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েও রেহাই মেলেনি তার। পরে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে মারপিট করা হয়।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান বলছে, ২০ জনেরও বেশি মানুষ ওই রোহিঙ্গা ব্যক্তির ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে অনেক তরুণ ছিল। রোহিঙ্গা ওই ব্যক্তিকে গাছের সঙ্গে বাঁধার আগে প্রাণভিক্ষা চান তিনি।

যুবদল নেতা হরমুজের বিরুদ্ধে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। আরো জানা গেছে হরমুজের শিশু পুত্রকে তার ভাইয়ের বাড়িতে পাওয়া গেছে।

rohingya3

rohingya